কাশ্মীর ভারতের সাথে নেই! ফের বিতর্কিত বয়ান দিয়ে শিরোনামে উঠে এলেন অধীর চৌধুরী!

নিজের বিতর্কিত বয়ান নিয়ে হামেশাই শিরোনামে থাকা কংগ্রেস নেতা অধীর চৌধুরী (Adhir Ranjan Chowdhury) আরও একবার বিতর্কিত বয়ান দিয়ে শিরোনামে উঠে এসেছেন। উনি বলেন, কাশ্মীর ভৌগলিক দিক থেকে আমাদের সাথে থাকলেও আবেগের দিক থেকে আমাদের সাথে নেই। উনি এই কথা জম্মু কাশ্মীরের (Kashmir) প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী মেহবুবা মুফতি আর উমর আবদুল্লাহ (Omar Abdullah) এর বিরুদ্ধে জন সুরক্ষা (PSA) লাগু করার জন্য এই প্রতিক্রিয়া দেন।

সংবাদসংস্থা এএনআই এর সাথে কথা বলার সময় উনি বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী কালই সংসদে উমর আবদুল্লাহ আর মেহবুবা মুফতিকে টিপন্নি করেন, আর রাতে ওনাদের বিরুদ্ধে পাবলিক সেফটি অ্যাক্ট লাগু করে দেন। আপনি কাশ্মীরে এভাবে শাসন করতে পারেন না, কাশ্মীর ভৌগলিক দিক থেকে আমাদের হলেও আবেগের দিক থেকে আমাদের না।”

আপনাদের জানিয়ে রাখি, মেহবুবা মুফতি আর উমর আবদুল্লাহকে গত বছর ৫ই আগস্ট নজরবন্দী করা হয়। বৃহস্পতিবার আধিকারিক আর পুলিশের উপস্থিতিতে ম্যাজিস্ট্রেট বাংলোতে গিয়ে মেহবুবার বিরুদ্ধে  PSA লাগু করার নির্দেশ দেন। এরপর আধিকারিকরা জানান, প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী উমর আবদুল্লাহ এর বিরুদ্ধেও PSA অনুযায়ী মামলা দায়ের করা হয়।

এই আইন অনুযায়ী, কোন অভিযুক্তকে অন্য কোন অভিযোগ অথবা কোন ট্রায়াল ছাড়া ২ বছর পর্যন্ত পুলিশের হেফাজতে রাখা যেতে পারে। এই আইন অনুযায়ী, অভিযুক্তকে ওয়ারেন্ট ছাড়া কোন বিশেষ অপরাধ ছাড়াও যখন তখন গ্রেফতার করা যেতে পারে। আপনাদের জানিয়ে রাখি, উমর আবদুল্লাহ আর ওনার পিতা ফারুক অবদুল্লাহকে এর আগেও এই আইন অনুযায়ী নজরবন্দী করে রাখা হয়েছিল।

এক সময় করেছিলেন হিন্দু ধর্মের অপমান, আর এখন সরস্বতী দেবীর নামে ভোট চাইল কেজরিওয়ালের পার্টি

দিল্লির বিধানসভা নির্বাচনের তারিখ যতই ঘনিয়ে আসছে, আম আদমি পার্টির প্রধান অরবিন্দ কেজরিওয়াল (Arvind Kejriwal) এবং তার দলকে নির্বাচন জয়ের জন্য নতুন নতুন কৌশল অবলম্বন করতে দেখা যাচ্ছে। আজ দিল্লির কিছু ভোটারের মোবাইলে খুব আবেগের বার্তা আসছে, যেখানে দিল্লির উপ-মুখ্যমন্ত্রী মনীষ সিসোদিয়ার জন্য হিন্দুদের দেবতা সরস্বতী মাতার নামে ভোট চাওয়া হচ্ছে। যদিও, ভোটারদের কাছে কে এই বার্তা পাঠাচ্ছেন তা এখনও পরিষ্কার নয় তবে এই বার্তার মাধ্যমে হিন্দু দেবী সরস্বতীর নামে আম আদমি পার্টির নেতা মনীষ সিসোদিয়ার পক্ষে ভোট দেওয়ার কথা বলা হচ্ছে।

কিছু দিন আগে দিল্লির মুখ্যমন্ত্রী অরবিন্দ কেজরিওয়ালকে হনুমান চালিশা পড়তে দেখা গেছিল। তবে, একটা সময় ছিল যখন এই অরবিন্দ কেজরিওয়ালকে হিন্দু প্রতীককে অপমানিত করে তার নির্বাচন চিহ্ন ঝাড়ুর প্রচার করতে দেখা গিয়েছিল। কেজরিওয়াল একটা ছবি পোস্ট করেছিলেন যেখানে দেখা যাচ্ছিল স্বস্তিক চিন্হকে ঝাড়ু দিয়ে তারা করছে। সেই ছবি এখনও কেজরিওয়ালের সোশ্যাল মিডিয়ায় রয়েছে।

কিছুদিন ধরে আম আদমি পার্টির শাহীন বাঘ প্রকরণে হওয়া ঘটনার পর থেকে অরবিন্দ কেজরিওয়াল ও তার আম আদমি পার্টি মুসলিম ভোট ব্যাঙ্কের জায়গায় হিন্দু ভোট ব্যাংকের প্রতিলিপি তৈরি করতে নজরে আসছেন। কিছুদিন আগে অরবিন্দ কেজরিওয়াল একটি সাক্ষাৎকারের সময় হনুমান চালিশা পড়েছিলেন। এই সাক্ষাৎকারের সময়, তিনি আরও জানিয়েছিলেন যে তাঁর মুখ ইনফেকশনের কারণে ফুলে গেছে।

তবে কিছু লোক অনুমান করছে যে এই ফোলাটি তাঁর দলের নেতা আমানাতউল্লাহ খান দ্বারা পিটুনি খাওয়ার কারণে হয়েছে, কিন্তু কেজরিওয়াল প্রকাশ্যে এ বিষয়ে কথা বলতে পারছেন না। জানিয়ে দি যে দেবী সরস্বতী হিন্দুদের আরাধ্য দেবী এবং তিনি শিক্ষার দেবী হিসাবে পূজিত হন।

জঙ্গি ডেরায় হানা দিয়ে আট জঙ্গিকে খতম করল সেনা, আহত সাত

মঙ্গলবার রাতে উত্তর আফগানিস্তানের (Afghanistan) কুন্দ্রুজ প্রান্তের গুল নেপা জেলায় সেনা (Army) জঙ্গি ডেরায় হানা দেয়। সেনার এই হানায় কমপক্ষে আট জঙ্গি খতম হয়েছে বলে খবর। সেনা হেলিকপ্টারের সাহায্যে তালিবানি (Taliban) জঙ্গি আস্তানায় হানা দেয়। প্রান্তীয় সরকারের মুখপাত্র ইস্মাতুল্লাহ মুরাদি বুধবার এই কথা জানান।

আধিকারিক সুত্র থেকে খবর নিয়ে সংবাদমাধ্যম জানায়, আট জঙ্গি খতম হওয়া ছাড়া এক বরিষ্ঠ কম্যান্ডার হুসেইন সমেত সাত জঙ্গি আহত হয়েছে। আধিকারিক সুত্র অনুযায়ী, হুসেইন দশত-এ-আর্চি জেলার জেলা প্রধান ছিল। সমস্যাগত কুন্দ্রুজ প্রান্তে সক্রিয় তালিবানি জঙ্গিরা এই খবর নিয়ে এখনো কোন মন্তব্য করেনি।

হিন্দুদের বিরুদ্ধে বিষ উগড়ে দিয়েছিল ইমরান খানের পার্টি! এক কথায় মুখ বন্ধ করিয়ে দিলেন পরেশ রাওয়াল

ভারতের প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী অটল বিহারী বাজপেয়ী একবার বলেছিলেন, ‘আপনি বন্ধু বদলাতে পারবেন, কিন্তু প্রতিবেশী না।” সময় বদলেছে, পরিস্থিতি বদলেছে, ভারত দিন রাত উন্নতি করে চলেছে। কিন্তু এই কথা তখনও যা ছিল, এখনো তেমনই আছে। আমাদের প্রতিবেশী দেশ আজও নিজেদের কাপুরুষের মতো কাজ এখনো বন্ধ করেনি। যেকোন পরিস্থিতিতে পাকিস্তান (Pakistan) ভারতের খালি ক্ষতিই করতে চায়। কিন্তু তাঁরা বারবার ভারতের কাছে থাপ্পড় খেও শুধরাচ্ছে না। আরও একবার পাকিস্তান এমনই এক কাজ করল, যেটার বলিউড অভিনেতা পরেশ রাওয়াল (Paresh Rawal) যোগ্য জবাব দেন।

পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী ইমরান খানের (Imran Khan) দল ‘পাকিস্তান তেহরিক-এ-ইনসাফ” এর তরফ থেকে পাকিস্তানে পোস্টার লাগানো হয়। ওই পোস্টারে সংখ্যালঘু হিন্দুদের নিয়ে বড়ই আপত্তিজনক কথা বলা হয়েছে। পোস্টারে দেখা ছবিতে লাহোরের মহাসচিব মিঞা মোহম্মদ উসমানকে দেখা যাচ্ছে। এর সাথে সাথে মোহম্মদ আলী জিন্নাহ এর ছবি আর ইমরান খানের ছবি দেখা যাচ্ছে। নীচের দিকে ভারতের পতাকার ছবি আছে, যেখানে কালো কালি দিয়ে কাটা আছে।

এই পোস্টার পাকিস্তানে ‘কাশ্মীর একটা দিবস” উপলক্ষে লাগানো হয়েছিল। সেখানে লেখা আছে, ‘হিন্দুরা কথাতে না, লাথি খেয়ে মানে।” পাকিস্তানের বরিষ্ঠ সাংবাদিক নায়লা ইনায়াত এই পোস্টার নিজের ট্যুইটার অ্যাকাউন্টে শেয়ার করেন। উনি বলেখেন, কাশ্মীর দিবসে পিটিআই এর লাহোর জেনারেল সেক্রেটারির এই পোস্টার দেখুন, এটাই নতুন পাকিস্তান।

 

এই বিতর্কিত পোস্টার নিয়ে বলিউড অভিনেতা পরেশ রাওয়াল যোগ্য জবাব দেন। ওনার এক কথায় পাকিস্তানের মুখ বন্ধ হয়ে যায়। পাকিস্তানকে তাঁদেরই ভাষায় জবাব দিয়ে প্রেশ রাওয়াল লেখেন, ‘ হা হা হা অনেক উচ্চকাঙ্খি! ওঁরা আগে থেকেই হাঁটু গেঁড়ে বসে আছে … আর লাথি মারতে পারবে না।” আপনাদের জানিয়ে রাখি, পরেশ রাওয়াল ট্যুইটারে বেশ অ্যাক্টিভ থাকেন। সামাজিক আর রাজনৈতিক ইস্যু গুলো নিয়ে তিনি বরাবরই সরব হন।

 

বিজেপি নেতা নারায়ণ বিশ্বাসকে কুপিয়ে খুন! তৃণমূলের গুন্ডারা খুন করেছে বলে অভিযোগ

রাজনীতি নিয়েও সবথেকে বেশি উথাল পাতাল থাকার সাথে সাথে হিংসার জন্য সবথেকে বেশি চর্চিত হয়ে উঠেছে পশ্চিমবঙ্গ (West Bengal)। কোনো সপ্তাহে খুন হয় না, এমন খবর পশ্চিমবঙ্গ থেকে খুব কমই আসে। সোনারপুর থেকে একটা খবর সামনে এসেছে যেখানে বিজেপি নেতাকে নৃশংসভাবে কুপিয়ে খুন করা হয়েছে। সোনারপুরের রায়পুর এলাকার বাসিন্দা ও বিজেপি নেতা নারায়ণ বিশ্বাসকে খুন করে মারা হয়েছে। বিজেপি এই খুনের দায় তৃণমূল ও তৃণমূল শাসিত গুণ্ডাদের উপর চাপিয়েছে। নারায়ণ বিশ্বাসকে বেশকিছু দিন ধরে অপরিচিত লোকজন অনুসরণ করছে বলে খবর এসেছিল।
নারায়ণ বিশ্বাস ভারতীয় জনতা মজদুর ট্রেড ইউনিয়নের সোনারপুর দক্ষিণ বিধানসভার ৪ নং মন্ডলের সভাপতি।

নারায়ণ বিশ্বাসকে প্রথমে গুলি করা হয় এবং তৎপর উনি মাঠিতে পড়ে গেলে গুন্ডারা ধারালো অস্ত্র দিয়ে কুপিয়ে খুন করে। সকাল ৯.৩০ মিনিটে তৃণমূলের গুন্ডারা হামলা চালায় বলে অভিযোগ তুলেছে বিজেপি। নারায়ণ বিশ্বাস পুকুরে মাছকে খাবার দেওয়ার জন্য বেরিয়েছিলেন। যারপর ৪ জন গুন্ডাকে উনাকে অনুসরণ করতে থাকে।

একটু পর গুন্ডারা উনাকে লক্ষ করে গুলি চালায়। ঘটনাস্থলেই নারায়ণ বিশ্বাস পড়ে যান। মূলত একটা গুলি উনার পায়ে লাগায় উনি পড়ে যান। যারপর গুন্ডারা এসে উনাকে জঙ্গিদের কায়দায় কুপিয়ে খুন করে।

ঘটনা নিয়ে এলাকায় চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। নারায়ণ বিশ্বাসকে খুন করার পর ৪ জন বাইক নিয়ে পলায়ন করে। গুলির আওয়াজ শুনে বাসিন্দার ঘটনাস্থলে ছুটে আসে। হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হলে সেখানে উনাকে মৃত ঘোষণা করা হয়।

৪০ মিনিটের ভাষণের পর কারেন্ট পৌঁছাল রাহুল গান্ধীর কাছে! প্রধানমন্ত্রী মোদী বললেন উনি টিউবলাইট

বাজেট অধিবেশনে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী (narendra modi) রাষ্ট্রপতির ভাষণের পর ধন্যবাদ প্রস্তাবে লোকসভায় ১ ঘণ্টা ৪০ মিনিট পর্যন্ত ভাষণ দেন। সেই সময় তিনি কংগ্রেসের (Congress) উপর তীব্র আক্রমণ করেন। প্রধানমন্ত্রী মোদী নিজের ভাষণে নাগরিকতা আইন, ৩৭০ ধারা, রাম মন্দির সমেত অনেক ইস্যুতেই কথা বলেন। আরেকদিকে কংগ্রেস সমেত সমস্ত বিরোধী দল গুলো প্রধানমন্ত্রীর ভাষণের সময় সংসদে হাঙ্গামা করে। কিন্তু তা স্বত্বেও প্রধানমন্ত্রী না থেমে নিজের ভাষণ জারি রাখেন। উনি রাহুল গাঁধির (Rahul Gandhi) দেওয়া ভাষণ নিয়ে ব্যাঙ্গও করেন।

উনি রাহুল গান্ধীকে কটাক্ষ করে বলেন, ডান্ডা খাওয়ার জন্য আমি সূর্য নমস্কারের সংখ্যা বাড়িয়ে দেব। ২০ বছর ধরে গালি শুনছি আমি। নিজেকে গালি প্রুফ বানিয়ে দেব। ছয় মাস যোগ করার সময় পেলে নিজেকে আমি অনেক মজবুত করে নিতে পারব। এর পাশাপাশি প্রধানমন্ত্রী মোদী হেসে হেসে বলেন, আমি ৩০ থেকে ৪০ মিনিট ধরে বলছি, কিন্তু কারেন্ট এখনি পৌঁছেছে … টিউবলাইটের সাথে এমনই হয়।

উল্লেখ্য, রাহুল গান্ধী বুধবার একটি নির্বাচনী জনসভায় বলেছিলেন যে, দেশের যুবরা ছয় মাস পর নরেন্দ্র মোদীকে ডাণ্ডা মারব। আর সেই নিয়েই প্রধানমন্ত্রী মোদী বলেন, আমি ঠিক করে নিয়েছি যে সূর্য নমস্কারের সংখ্যা বাড়িয়ে দেব, এরফলে আমার পিঠ শক্ত হয়ে যাবে। পিঠ শক্ত হলে ডাণ্ডা মারতে সুবিধা হবে।

প্রধানমন্ত্রী মোদী বলেন, কংগ্রেসের সমস্য হল, তাঁরা কথা বলে, মিথ্যে প্রতিশ্রুতি দেয় আর দশকের পর দশক তাঁদের প্রতিশ্রুতি গুলো পালন করেনা। আজ আমাদের সরকার রাষ্ট্র নির্মাণের সিদ্ধান্তে চলছে, আর এটা নিয়েও ওদের সমস্যা। উনি বলেন, আমি আরও একবার এই সদনের মাধ্যমে আমাদের দায়িত্ব স্পষ্ট করতে চাই। আমি পরিস্কার জানাচ্ছি যে, সিএএ এর কারণে ভারতের কোন নাগরিক প্রভাবিত হবেনা। সেটা মুসলিম হোক, হিন্দু হোক, শিখ অথবা অন্য কোন সম্প্রদায় হোক।

কংগ্রেসের কাছে যারা মুসলিম, আমাদের কাছে তাঁরা ভারতীয়ঃ প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী

সংসদে (Lok Sabha) বাজেট অধিবেশনে রাষ্ট্রপতির ভাষণের ধন্যবাদ প্রস্তাবে বলার সময় প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী (Narendra Modi) কথা বলার জন্য যখন দাঁড়ান তখন বিরোধীরা হাঙ্গামা শুরু করে। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী রাহুল গান্ধীকে (Rahul Gandhi) আক্রমণ করেন। রাহুল গান্ধী ডান্ডা মারার বয়ানে উনি বলেন, আমি নিজেকে এর জন্য মজবুত করব। উনি বলেন, কাজ শক্ত হলে প্রস্তুতির জন্য সময় তো লাগবেই।

উনি রাহুল গান্ধীকে কটাক্ষ করে বলেন, ডান্ডা খাওয়ার জন্য আমি সূর্য নমস্কারের সংখ্যা বাড়িয়ে দেব। ২০ বছর ধরে গালি শুনছি আমি। নিজেকে গালি প্রুফ বানিয়ে দেব। ছয় মাস যোগ করার সময় পেলে নিজেকে আমি অনেক মজবুত করে নিতে পারব। এর পাশাপাশি প্রধানমন্ত্রী মোদী হেসে হেসে বলেন, আমি ৩০ থেকে ৪০ মিনিট ধরে বলছি, কিন্তু কারেন্ট এখনি পৌঁছেছে … টিউবলাইটের সাথে এমনই হয়।

উল্লেখ্য, রাহুল গান্ধী বুধবার একটি নির্বাচনী জনসভায় বলেছিলেন যে, দেশের যুবরা ছয় মাস পর নরেন্দ্র মোদীকে ডাণ্ডা মারব। আর সেই নিয়েই প্রধানমন্ত্রী মোদী বলেন, আমি ঠিক করে নিয়েছি যে সূর্য নমস্কারের সংখ্যা বাড়িয়ে দেব, এরফলে আমার পিঠ শক্ত হয়ে যাবে। পিঠ শক্ত হলে ডাণ্ডা মারতে সুবিধা হবে।

CAA নিয়ে প্রধানমন্ত্রী মোদী বলেন, যেমন ভাবে বয়ান দেওয়া হচ্ছে সেটা ঠিক না। বিরোধীরা শাহিনবাগের কথা বলে, কিন্তু পশ্চিমবঙ্গের নির্যাতিতদের নিয়ে কেউ কিছু বলেনা। যদি সবকিছু সামনে চলে আসে তাহলে সবার সমস্যা হবে। কিছু মানুষ বলছে, সিএএ এত তাড়াতাড়ি লাগু করার কি দরকার। দেশকে টুকড়ো টুকড়ো করার কথা হচ্ছে। কাল্পনিক ভয় সৃষ্টি করা হচ্ছে।

উনি বলেন, দেশকে টুকড়ো টুকড়ো করার কথা যারা বলে, এরা তাঁদের পাশে দাঁড়িয়ে ছবি তোলে। পাকিস্তান ভারতীয় মুসলিমদের উস্কাতে কোন ত্রুটি রাখেনি। কংগ্রেসের উপর আক্রমণ করে উনি বলেন, সিংহাসন থেকে যাঁদের উপড়ে ফেলা হয়েছে … তাঁরাই আজ এই কাজ করছে। কংগ্রেসের নজরে মুসলিমরা শুধুই মুসলিম! কিন্তু আমাদের সরকারের নজরে মুসলিমরা ভারতীয়।

প্রধানমন্ত্রী হওয়ার ইচ্ছে হয়েছিল বলেই একজন ভারত ভাগ করেছিল! লোকসভায় বললেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী

বাজেট অধিবেশনে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী (narendra modi) রাষ্ট্রপতির ভাষণের পর ধন্যবাদ প্রস্তাবে লোকসভায় ১ ঘণ্টা ৪০ মিনিট পর্যন্ত ভাষণ দেন। সেই সময় তিনি কংগ্রেসের (Congress) উপর তীব্র আক্রমণ করেন। প্রধানমন্ত্রী মোদী নিজের ভাষণে নাগরিকতা আইন, ৩৭০ ধারা, রাম মন্দির সমেত অনেক ইস্যুতেই কথা বলেন। আরেকদিকে কংগ্রেস সমেত সমস্ত বিরোধী দল গুলো প্রধানমন্ত্রীর ভাষণের সময় সংসদে হাঙ্গামা করে। কিন্তু তা স্বত্বেও প্রধানমন্ত্রী না থেমে নিজের ভাষণ জারি রাখেন। উনি রাহুল গাঁধির (Rahul Gandhi) দেওয়া ভাষণ নিয়ে ব্যাঙ্গও করেন।

প্রধানমন্ত্রী মোদী বলেন, কংগ্রেসের সমস্য হল, তাঁরা কথা বলে, মিথ্যে প্রতিশ্রুতি দেয় আর দশকের পর দশক তাঁদের প্রতিশ্রুতি গুলো পালন করেনা। আজ আমাদের সরকার রাষ্ট্র নির্মাণের সিদ্ধান্তে চলছে, আর এটা নিয়েও ওদের সমস্যা। উনি বলেন, আমি আরও একবার এই সদনের মাধ্যমে আমাদের দায়িত্ব স্পষ্ট করতে চাই। আমি পরিস্কার জানাচ্ছি যে, সিএএ এর কারণে ভারতের কোন নাগরিক প্রভাবিত হবেনা। সেটা মুসলিম হোক, হিন্দু হোক, শিখ অথবা অন্য কোন সম্প্রদায় হোক।

উনি বলেন, ১৯৫০ সালে নেহরু লিয়াকত চুক্তি হয়েছিল, ওই চুক্তি অনুযায়ী, ভারত পাকিস্তানে থাকা সংখ্যালঘুদের সুরক্ষা দেওয়া হবে। এই চুক্তিতে ধার্মিক সংখ্যালঘুদের কথা উল্লেখ আছে। নেহরু জি এত বড় নেতা ছিলেন, তাহলে তিনি সেই সময় সংখ্যালঘুদের জায়গায় সেখানকার সমস্ত নাগরিকদের কথা উল্লেখ করেন নি কে? যেই কথা আমরা আজ বলছি, সেই কথা তখন নেহরু জিও বলতেন।

প্রধানমন্ত্রী মোদী বলেন, দেশ দেখেছে দলের জন্য কারা আছে আর দেশের জন্য কারা। যখন কথা উঠেছে তখন মূল পর্যন্ত যাওয়া উচিৎ। কেউ প্রধানমন্ত্রী হতে চাইছিলেন, এরজন্য হিন্দুস্তানে সীমানা করে দেশ ভাগ করে দিয়েছিলেন।

বোমা বানাতে গিয়ে TMC নেতা মুস্তাক শেখের উড়ে গেল দুই হাত! বিজেপির CAA-সমর্থন সভাতে ফাটাতে চেয়েছিল বোমা!

পশ্চিমবঙ্গের (West Bengal) বীরভূমের লেবাড়া গ্রামে একটি মর্মান্তিক ঘটনা ঘটেছে। বাংলায় তৃণমূল কংগ্রেস বুথের সভাপতি মোস্তাক শেখ বোমা তৈরির সময় বিস্ফোরণ ঘটায় তার দুটি হাত কাটা গেছে । এই বোমার তীব্রতা এত বেশি ছিল যে বোমার শব্দ শুনে গ্রামের অনেক লোক পালিয়ে যায়। দাবি করা হচ্ছে যে মোস্তাক শেখ এই বোমা তৈরি করছিল CAA-র সমর্থনে বিজেপি আয়োজিত সমাবেশে বিস্ফোরণ ঘটানোর জন্য। এখন TMC এই ঘটনাটিকে আড়াল করার চেষ্টা করছে।

দাবি অনুযায়ী, TMC নেতা মোস্তাক শেখের সাথে এই মর্মান্তিক ঘটনাটি ঘটে যখন বাংলার লেবাড়া গ্রামের পশ্চিমদিকে এক ড্রেনের পাশে বোমা তৈরির কাজ করছিল। এর পরে, ঘটনাস্থল জুড়ে রক্ত, পাথর, গোলাবারুদ ছড়িয়ে পড়েছিল। যদিও বিস্ফোরণের সাথে সাথেই এই জায়গাটিকে সাবধানতার সাথে মাটি দিয়ে ঢেকে দেওয়া হয়। অবশ্য এই ঘটনাকে তৃণমূল কংগ্রেস মিথ্যে বলে দাবি করছে।  এই ঘটনার বিষয়ে জেলার তৃণমূলের সাধারণ সম্পাদক এবং পাড়ুইয়ের বাসিন্দা মোস্তাক হুসেন ঘটনাকে মিথ্যা বলেছেন।

স্থানীয় বাসিন্দা এবং রাজ্য বিজেপি সংখ্যালঘু সেলের সচিব শেখ সামাদ জানিয়েছেন, ঘটনার সময় ক্ষমতাসীন বুথের সভাপতি এবং লেবাড়া গ্রামের বাসিন্দা বাপি ওরফে মুস্তাক শেখ তার সঙ্গী সাথীদের নিয়ে বোমা তৈরি  করছিলেন। এদিকে অজান্তে বোমা ফেটে বাপির হাত দুটোই উড়ে যায় বলে দাবি করা হয়েছে। মোস্তাক শেখ ছাড়াও আরও তিনজনকে গুরুতর অবস্থায় সেখান থেকে নিয়ে যাওয়া হয়।

ঘটনার পরে বাপীকে শক্তিগড়ের একটি নার্সিংহোমে ভর্তি করা হয়। বিজেপি অভিযোগ তুলেছে যে বোমা মঙ্গলবার (৪ ফেব্রুয়ারী, ২০২০) হওয়া বিজেপি এর অভিনন্দন যাত্রার উপর হামলা করার জন্যই তৈরি করা হচ্ছিল। এটি লক্ষণীয় যে পশ্চিমবঙ্গে নাগরিকত্ব সংস্থান আইন (CAA) নিয়ে চলা বিরোধ প্রদর্শন গুলি হিংস্র হয়ে উঠেছে। CAA নিয়ে তৃণমূল একেবারে বিজেপির বিরোধীমুখী হয়ে দাঁড়িয়েছে।

কাশ্মীর ইস্যুতে কাশ্মীরের সবথেকে ঘনিষ্ঠ সঙ্গী সৌদি আরবও এবার ভারতের পাশে!

কাশ্মীর (Kashmir) ইস্যু নিয়ে এবার পাকিস্তানের (Pakistan) সবথেকে ঘনিষ্ঠ দেশ সৌদি আরবও (Saudi Arabia) তাঁদের সঙ্গ ছাড়ল। পাকিস্তানের প্রধান সংবাদপত্র ‘ডন” অনুযায়ী, সৌদি এবার কাশ্মীর ইস্যুতে ইসলামিক সংগঠন (OIC) এর বিদেশ মন্ত্রী স্তরে বৈঠক ডাকবে না বলে জানিয়েছে। আপনাদের জানিয়ে রকাহি, ৯ই ফেব্রুয়ারি OIC এর বরিষ্ঠ আদিকারিকরা বৈঠক করবেন।  মুসলিম দেশের সবথেকে বড় সংগঠন OIC এর থেকে কাশ্মীর ইস্যুতে বৈঠক ডাকার নিজেদের দাবি না পূরণ করতে পারায় পাকিস্তান ক্ষোভ প্রকাশ করেছে।

মালয়েশিয়া সফরে পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী ইমরান খান একটি থিঙ্ক ট্যাংকের সাথে কথা বলার সময় উনি এই বিষয়ে নিজের ক্ষোভ প্রকাশ করেন। উনি বলেন, আমাদের পাশে কোন মুসলিমদের দাঁড়ায় নি, আর আমরা সম্পূর্ণ ভাবে বসে গেছি। OIC কাশ্মীর ইস্যুতে একটাও বৈঠক ডাকতে পারেনি।

পাকিস্তান সৌদি আরবের নেতৃত্বে চলা ৫৭ টি মুসলিম দেশের সংগঠন OIC কে দিয়ে কাশ্মীর ইস্যু নিয়ে বৈঠক ডাকার জন্য লাগাতার চাপ সৃষ্টি করে চলেছে। কিন্তু সৌদি আরব লাগাতার তাঁদের দাবি নাকোচ করে দিচ্ছে। ডিসেম্বর মাসে OIC এর স্বাধীন স্থায়ী মানবাধিকার কমিশন কাশ্মীরে মানবাধিকার লঙ্ঘন নিয়ে একটি রিপোর্ট পেশ করেছিল। যদিও বিদেশ মন্ত্রী স্তরে এই বৈঠক নিয়ে কোন প্রগতি হয়নি।

পাকিস্তানের বিদেশ মন্ত্রী শাহ মেহমুদ কুরেশি OIC এর বৈঠক নিয়ে কিছুদিন আগেই বলেন, কাশ্মীর ইস্যুতে মুসলিমদের একজোট হওয়া খুবই জরুরি। মালয়েশিয়া সফরেও ইমরান খান মুসলিম দেশ গুলোর চুপ থাকা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন। ইমরান খান বলেন, যদি বৈষম্য ধর্মের ভিত্তিতেই হচ্ছে তাহলে মুসলিমদেরও ধর্মের ভিত্তিতে একজোট হওয়া দরকার।

Design a site like this with WordPress.com
Get started