করোনা ভাইরাস নিয়ে চীন সহ পুরো বিশ্ব ভয়ভীতি হয়ে পড়েছে। এর মূল কারণ এই ভাইরাসের প্রতিষেধক বের করা সম্ভব হয়নি। এই ভাইরাসে আক্রান্ত ব্যাক্তি প্রথমে হাঁচি, সর্দি কাশির সম্মুখীন হচ্ছে। তবে ভাইরাস প্রথমেই কিডনির উপর আক্রমন করছে। এখনও অবধি ভাইরাসের কোনো প্রতিকার আনা সম্ভব হয়নি। জাপান, তাইওয়ান, ভিয়েতনাম, মালেশিয়া, সিঙ্গাপুর, থাইল্যান্ড, দক্ষিণ কোরিয়া, হং কং এ এই ভাইরাস ছড়িয়ে পড়েছে। এখনও অবধি চীনে ১ লক্ষ জন মানুষ এই ভাইরাসে আক্রান্ত। আসল পরিসংখ্যান আরো বেশি হতে পারে বলে অনেকে মত প্রকাশ করছে। এই ভাইরাসের আতঙ্কের কারনে প্রায় ৪২ মিলিয়ন বা সাড়ে ৪ কোটি মানুষকে নজদারিতে রাখা হয়েছে বলে খবর সামনে আসছে। করোনা ভাইরাস চীন থেকে শুরু করে পুরো বিশ্বে যেভাবে আতঙ্ক ছড়িয়ে দিয়েছে, তা অত্যন্ত ভয়ানক বলে মনে করা হচ্ছে।

চীনে ভাইরাস ছড়িয়ে পড়ার দরুন সব দেশ তাদের নাগরিকদের চীন থেকে বের করে আনছে। চীনের উহান প্রদেশে আটকে থাকা ভারতীয় ছাত্রদেরও ভারত সরকার বের করে আনতে সক্ষম হয়েছে। আজ সকাল ৭.২৬ মিনিটে দিল্লী এয়ারপোর্টে সকল ভারতীয়কে ল্যান্ডিং করানো হয়েছে। চীন থেকে দিল্লী উড়ে আসা এই বিমানে ৩২৪ জন ভারতীয়কে ফিরিয়ে আনা হয়েছে।
ভারতীয়দের ফিরিয়ে আনার সাথে সাথে দেশের জনগণ সরকারের প্রশংসা শুরু করেছেন। অনেকে প্রাক্তণ বিদেশমন্ত্রী তথা প্রয়াত সুষমা স্বরাজের টুইটের স্ক্রিন শট শেয়ার করেছেন। যেখানে সুষমা স্বরাজ বলেছিলেন যদি কোনো ভারতীয় চাঁদে আটকে যায় তাহলে সেখানেও ভারতীয় দূতাবাস পৌঁছে যাবে সাহায্যে জন্য। অনেকে বলেছেন আজ সুষমা স্বরাজ নেই কিন্তু উনি বিদেশমন্ত্রকের ভিত্ত এমন তৈরি করে গেছেন যা উনাকে স্মরণ করতে বাধ্য করে।
চীন থেকে ফেরার পর ভারতীয়রা ‘ভারত মাতা কি জয়’, ‘হর হর মহাদেব’, ‘হর হর মোদী’ ইত্যাদি শ্লোগান দিয়ে খুশি ব্যাক্ত করেছেন। মূলত দেশের প্রতি সন্মান জানাতে ও মোদী সরকারের প্রশংসা করতে এই শ্লোগান দিয়েছে। অন্যদিকে চীনে যে সমস্থ পাকিস্তানি পড়ুয়ারা ফেঁসে আছে তাদের জন্য পাকিস্তান সরকার কোনো পদক্ষেপ গ্রহণ করেনি।